ভিয়েতনামে এখনো চালের দর প্রায় পাঁচ বছরের সর্বনিম্নে

নিম্নমুখী চাহিদার প্রভাবে ভিয়েতনামে গত সপ্তাহেও প্রায় পাঁচ সপ্তাহের সর্বনিম্নে ছিল চালের দাম।

নিম্নমুখী চাহিদার প্রভাবে ভিয়েতনামে গত সপ্তাহেও প্রায় পাঁচ সপ্তাহের সর্বনিম্নে ছিল চালের দাম। অন্যদিকে ভারতে খাদ্যশস্যটির মূল্য কিছুটা বাড়লেও সামগ্রিকভাবে রফতানি চাহিদা ছিল নিম্নমুখী। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের মূল্য ছিল টনপ্রতি ৩৫০-৩৫৫ ডলার। এটি আগের সপ্তাহের টনে ৪১৫-৪৩০ ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কম এবং ২০২০ সালের জানুয়ারির পর সর্বনিম্ন।

হো চি মিন সিটির এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘অন্যান্য দেশে আমদানি চাহিদা কমে যাওয়ায় চালের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমছে। এখন ভিয়েতনামকে বেশি পরিমাণ চাল উৎপাদনের বদলে মানের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

তিনি জানান, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রধান আমদানিকারক দেশগুলো স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ফলে ভিয়েতনামের প্রধান ক্রেতা এখন আফ্রিকার দেশগুলো।

ভিয়েতনামের কাস্টমস ডাটা অনুযায়ী, নভেম্বরের প্রথমার্ধে দেশটির চাল রফতানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৯ হাজার ১২২ টন। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৬ শতাংশ কম।

ভারতে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চাল গত সপ্তাহে টনপ্রতি ৩৫২-৩৬০ ডলার দরে বেচাকেনা হয়েছে। এটি এর আগের সপ্তাহের টনে ৩৪৪-৩৫০ ডলারের তুলনায় বেশি। এছাড়া ভারতে গত সপ্তাহে প্রতি টন আতপ চাল বেচাকেনা হয়েছে ৩৫০-৩৫৫ ডলারে।

সত্যম বালাজির নির্বাহী পরিচালক হিমাংশু আগরওয়াল এ বিষয়ে বলেন, ‘আফ্রিকা ও এশিয়ার ক্রেতারা তুলনামূলক সস্তায় পাওয়া যায়, এমন উৎস থেকে চাল ক্রয় করছেন। এ কারণে ভারতীয় চালের রফতানি চাহিদা এখনো কম।’

তিনি জানান, তবে ভারতে সরকারিভাবে চাল সংগ্রহ শুরু হওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম কিছুটা বেশিই থাকবে।

থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চাল গত সপ্তাহে টনপ্রতি ৩৪০ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে। এটি আগের সপ্তাহের টনপ্রতি ৩৩৫ ডলারের তুলনায় বেশি। ব্যাংককভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানান, ক্রেতারা শুধু প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিচ্ছেন। কারণ ভারত অতিরিক্ত চাল রফতানির ঘোষণা দিয়েছে। তাই তারা ধারণা করছেন, সামনের দিনগুলোয় চালের দাম আরো কমতে পারে।

আরও